1. info@www.jayjaysomay.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ফায়ার সার্ভিস চালকের বিরুদ্ধে সৌর বিদ্যুৎ ও গাড়ির লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নামে আড়াই লাখ টাকার আত্মসাৎ সাভারের বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটে চাঁদা দাবি, ভাংচুর ও মারপিটের ঘটনায় গ্রেফতার-১ নিয়ামতপুরে ছিনতাইয়ের মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সড়ক দুর্ঘটনায় ১জন আনসার কমান্ডার নিহত ভুূরুঙ্গামারীতে আওয়ামীলীগের ইউপি নেতা গ্রেফতার সুবর্ণচরে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা নিয়ামতপুরে গার্মেন্টস কর্মীর টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ ২ বছরের শিশুকে হত্যার অভিযোগ সৎ মা আটক ‎সিনেমা স্টাইলে নিজের বিয়ে নিজেই ভাঙলেন ছাত্রলীগ নেতা শরীফ মাহমুদ যৌক্তিক সময়েই এই সরকার প্রদক্ষেপ নিবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

কলাপাড়া পরিসংখ্যান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন  

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামান কতৃক অর্থনৈতিক শুমারীর বিলের টাকা আত্নসাতের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে আইটি সুপারভাইজার ও গননাকারীরা। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের জোন-১ এর আইটি সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন গণনাকারী ফাতেমা ফেরদৌসী শান্তা, কাওসার আহম্মেদ।

লিখিত বক্তব্যে আইটি সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম বলেন, কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামানের নির্দেশে জোন-১ এর আইটি সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম সুপারভাইজার ও গণনাকারীর দায়িত্ব পালান করেন। তিনিসহ অপর গণনাকারী ফাতেমা ফেরদৌসী শান্তা ১৩৬টি ইউনিটের তথ্য সংগ্রহ করেন। এর বিল বাবাদ জনপ্রতি ১৫ হাজার ও প্রশিক্ষণ ফি জনপ্রতি ১৬’শ টাকা হিসাবে ৩২ হাজার টাকা। উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামান এই বিলের টাকা সাইফুল ইসলাম ও ফাতেমা ফেরদৌসী শান্তাকে পরিশোধ না করে গোপনে নিজের ও তার শশুরের বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্নসাৎ করেন। এই টাকা চাইতে গেলে তাদের নানাভাবে হয়রানি করছেন।

আইটি সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম বলেন, এমন অনেকের ভূয়া নাম ব্যবহার তিনি কয়েক লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করেছেন। মহিপুরের জোনাল অফিসার হিসাবে নিজ শ্যালককে নিয়োগ দিলেও তিনি কোন প্রশিক্ষণ গ্রহন করেননি এবং নিয়োগ থেকে অদ্যাবধি কোন দায়িত্ব পালন না করলেও বিল, ভাতা গ্রহন করছেন। ধানখালীতে ৬ জন সুপারভাইজার নিয়োগের নিয়ম থাকলেও একজন সুপারভাইজার দিয়ে কাজ করিয়ে বাকীদের টাকা নামে-বেনামে আত্নসাৎ করেছেন। সোহেল নামে একজন আইটি সুপারভাইজারকে দিয়ে সুপারভাইজার ও গণনাকারী দায়িত্ব পালন করিয়ে বাকী বিলের টাকা আত্নসাৎ করেছেন। কলাপাড়া উপজেলায় ৫টি জোনের প্রতিটি জোনে ১জন আইটি সুপারভাইজার, ৬-৭ জন সুপারভাইজার এবং ৪৮ গণনাকারী কাগজে কলমে নিয়োগ থাকলেও ৫০ শতাংশের কম নিয়োগ দিয়ে বাকীদের টাকা নামে-বেনামে হাতিয়ে নিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামান বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন। সাইফুল ইসলামের স্ত্রীকে নিয়োগ না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এসব মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট