1. info@www.jayjaysomay.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
ফায়ার সার্ভিস চালকের বিরুদ্ধে সৌর বিদ্যুৎ ও গাড়ির লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নামে আড়াই লাখ টাকার আত্মসাৎ সাভারের বিরুলিয়া ব্রীজ ফুড কোর্ট মার্কেটে চাঁদা দাবি, ভাংচুর ও মারপিটের ঘটনায় গ্রেফতার-১ নিয়ামতপুরে ছিনতাইয়ের মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সড়ক দুর্ঘটনায় ১জন আনসার কমান্ডার নিহত ভুূরুঙ্গামারীতে আওয়ামীলীগের ইউপি নেতা গ্রেফতার সুবর্ণচরে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা নিয়ামতপুরে গার্মেন্টস কর্মীর টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ ২ বছরের শিশুকে হত্যার অভিযোগ সৎ মা আটক ‎সিনেমা স্টাইলে নিজের বিয়ে নিজেই ভাঙলেন ছাত্রলীগ নেতা শরীফ মাহমুদ যৌক্তিক সময়েই এই সরকার প্রদক্ষেপ নিবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

সরকারী বই বিক্রির চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে উধাও

রাজৈর(মাদারীপুর)প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বিগত হাসিনা সরকারের দেয়া বই বিক্রির চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা কোথায় গেলো তাহা অফিসের কেহই সঠিক ভাবেব লতে পারছে না।

রাজৈর উপজেলায় মোট ১৩৮ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এটাকে ভাগ করে ৫টি ক্লাস্টারে পরিনত করা হয়েছে। আর এই ৫টি ক্লাস্টারের দায়িত্বে রয়েছে পাঁচ জন এ,টি,ও। এই অফিসের অফিসারের নাম হচ্ছে গুলশান আরা। সে এখানে যোগদান করেছে এক বছর দুই মাস। এরই মধ্যে অনেক ধরনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। শিক্ষা অফিসের পাঁচ জন এ,টি,ওর মধ্যে অন্যতম প্রভাবশালী হচ্ছে তপা বিশ্বাস।

জানা গেছে বই বিক্রির টাকা কালেকশনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো তপা বিশ্বাসকে। আরো জানা গেছে ঐ সময়ের ডিপিইওর সাথে তপা বিশ্বাসের একটা ভালো সম্পর্ক ছিলো বিধায় সুযোগ সন্ধানী হয়ে তপা বিশ্বাস স্বাচ্ছন্দেই টাকার দায়িত্ব নিয়েছিলো। কথা ছিল তপা বিশ্বাস তার দায়িত্বেই ডিপিইওর কাছে বই বিক্রির টাকা জমা দিবে। কিন্তু গত ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর আর বই বিক্রির টাকা জমা দেয়া হয় নাই।

এর কিছুদিন পরে কালকিনি উপজেলায় এই রকম টাকার অনিয়ম নিয়ে পত্রিকায় রিপোর্ট হলে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে টাকা ফেরৎ দেয়া হয়। অথচ রাজৈর উপজেলায় কোন একটি স্কুলেই বই বিক্রির টাকা ফেরৎ দেয়া হয় নি। এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিসার গুলশান আরার কাছে চাইলে তিনি দৈনিক যায়যায় সময়ের প্রতিনিধি কে বলেন, আমি কালকিনির পরিস্থিতি দেখে তপা বিশ্বাসকে চাপ দিলে সে আজ দিচ্ছি কাল দিচ্ছি বলে কাল ক্ষেপণ করতে থাকে। এবং ডিপিইওকে দিয়ে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করতে থাকে।

মাঝে মাঝে সে কাউকে কিছু না বলেই অফিসে অনুপস্থিত হতে থাকে। এমনকি তার ক্লাস্টারের শিক্ষক গনও তার ভয়ে তার অত্যাচার সহ্য করে যায় মুখ খুলে কাউকে কিছু বলতে পারে না। তার সাথে আরো দুই জন এটিও অনিয়ম ও টাকার ব্যাপারে জড়িয়ে পরে। আমি অফিসের প্রধান হিসাবে এ সব কিছুর দায় আমার ঘারে বর্তাবে ভেবে দায় এড়াতে আমি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিডি বরাবরে তিন জনের অপকর্মের বিবরন লিখে একটি অভিযোগ দায়ের করি। যাহার এক কপি আমার কাছে আছে ইচ্ছে করলে আপনারা দেখতে পারেন।

পরবর্তিতে তাহারা আমার কাছে টাকা জমা দেয়ার একটা ভাউচার আমাকে দেয়। কিন্তু আমার কাছে তাহা যথাযথ বলে মনে হয় নি। তারা আমাকে তিন লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকার ভাউচার দেখায়। বাকী ৭৯০০০ (উনসত্তর হাজার) টাকার হিসাব আমি এখনও পাইনি। এর চেয়ে বেশি আমি আর কিছু বলতে পারবো না।

তপা বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে সে কোন সদোত্ত্বর দিতে পারে নি। তাই আমি দেশের একজন ক্ষুদ্র নাগরিক হিসাবে অনুরোধ করছি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি ব্যাপারটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট