কক্সবাজারের খুরুশকুল জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় তিনি প্রকল্প এলাকায় যান।
প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল মিরাজুল ইসলাম জানান, পুনর্বাসন প্রকল্পের ৮২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্প এলাকা ২৫৩ একরজুড়ে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে— পুনর্বাসন প্রকল্প, বাফার জোন, শুঁটকি মহাল ও পর্যটন এলাকা। এর মধ্যে ১১২ একরজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে পুনর্বাসন প্রকল্প, যা চারটি ব্লকে বিভক্ত।
প্রকল্পের আওতায় ১২৯টি আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের কারণে ভূমিহীন ও জলবায়ু উদ্বাস্তু ৪,১২৮টি পরিবার পুনর্বাসিত হবে। প্রতিটি পাঁচতলা ভবনের প্রতি তলায় ৮টি করে মোট ৩২টি ফ্ল্যাট থাকবে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, বি ব্লকের ১৯টি ভবনে ৬০০ পরিবার পুনর্বাসিত হয়েছে। অবশিষ্ট ১০৩টি ভবনে আরও ৩,২৯৬ পরিবারকে পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া চলছে, যা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
প্রকল্পে ১২২টি ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে, বাকি ৭টি ভবনের কাজ চলমান। পাশাপাশি, একটি মসজিদ, চারটি সাইক্লোন শেল্টার, একটি কমিউনিটি সেন্টার, একটি মন্দির, একটি মার্কেট কমপ্লেক্স এবং সুপেয় পানির জন্য ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।
প্রকল্পের নির্মাণমান নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও সুপারভাইজাররা তদারকি করছেন। এছাড়া, নির্মাণ সামগ্রীর মান যাচাই করতে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে নিয়মিত পরীক্ষা করা হচ্ছে।